FAUJIANS : ARE NEVER PAROCHIAL :

(We Love ‘Facebook’ for creating platforms for all these “Fun n Frolics” & for indirect publicity on Elite Force.)
1. We are the Pioneers – We are aging, now 65 years old – Faujdarhat Cadet College came into being in the year 1958 (East Pakistan Cadet College). Some people thinks that we are little parochial. It is absolutely untrue.
2. Yesterday two of the younger brothers (Above 60+) came to see me. Our net achievement from the visit : Both said “We did not have any idea that, something or anything like this is happening in Bangladesh” : Having seen only one tenth of the activities of Elite Force both of them passed such high comments.
3. However hearing such ripe compliments, the conducting officer, a super smart guy, quietly sent a ‘Chit’ to the Chef to include three (3) more items to be included in the Lunch menu. Additionals were three more type of Mangoes eg : Haribangha. Amropali ; Lengra.
4. Affects : That is what Alam Khorshed wrote in his Facebook post :
“ ব্রিগেডিয়ার (অব.) শরীফ আজিজ ভাই ১৯৭৫ সালে তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এবং বঙ্গবন্ধুর তিনজন এডিসির একজন, যাঁরা এই নির্মম হত্যাযজ্ঞের খবর পেয়ে বঙ্গভবন থেকে ছুটে এসেছিলেন বত্রিশ নম্বরের দিকে, যদিও সেখানে পৌঁছানোর আগেই শত্রুদের হাতে বন্দি হন।
তো, এই অসম সাহসী মানুষটিই সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর ‘এলিট ফোর্স’ নামে একটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যা আজ এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়, বনেদি ও বিশ্বস্ততম প্রতিষ্ঠান। গত পরশু দুপুরটা তাদের বারিধারার সদরদপ্তরে এর স্বপ্নদ্রষ্টা, মহাপ্রাণ শরীফ আজিজ ভাইয়ের উদার আতিথেয়তা ও আপ্যায়নের আবহে কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। সঙ্গে ছিল ফৌজদারহাটে আমার সহপাঠী, সমাজবিজ্ঞানী ইশতিয়াক মাহমুদ।
এলিটের অফিসে ঢুকতেই দেখি লবিতে স্থাপিত ডিজিটাল বিলবোর্ডে আমাদের ছবিসহ অভ্যর্থনা বার্তা, যা বলাইবাহুল্য আমাকে রীতিমতো মুগ্ধ করে। এরপর তাদের পুরো প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখে ও কার্যক্রম সম্পর্কে জানার পর সেই মুগ্ধতাটুকু ক্রমে আমাদেরকে অভিভূত করে ফেলে। দুপুরে শরীফ ভাই ও প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসে রাজকীয় মধ্যাহ্নভোজনের অভিজ্ঞতাটুকু সেই মুগ্ধতার মাত্রাকেই বাড়িয়ে দেয় কেবল।
সবশেষে, তাঁদের দেশাত্মবোধক ব্যতিক্রমী কার্যক্রম ‘বুকে বাংলাদেশ’ (https://rb.gy/nkxbx) এর একটি ভিডিও (https://rb.gy/k4ow8) উপস্থাপনা দেখে বুকটা সত্যি ভরে গিয়েছিল। সেই ভালোলাগার রেশ ও শুভেচ্ছা উপহারের ব্যাগ হাতে যখন বিকেল নাগাদ ফিরে এলাম আমরা, তখন বুকের ভেতর যুগপৎ খেলা করছিল আনন্দ, গর্ব ও ভ্রাতৃত্ববোধের মিশ্রণে সৃষ্ট এক অপরূপ অনাবিল অনুভূতি। জয়তু কর্মবীর শরীফ আজিজ ভাই, জয়তু আপনার মানস সন্তান ‘এলিট ফোর্স’ “।
Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top